পেটের ভেতর পাওয়া গেল ঝকঝকে কাঁচি ! - Songbad Feri

ads

পেটের ভেতর পাওয়া গেল ঝকঝকে কাঁচি !

পেটের ভেতর পাওয়া গেল ঝকঝকে কাঁচি !

 

পেটের ভেতর পাওয়া গেল ঝকঝকে কাঁচি !

তৎকালীন ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ২০২০ সালের ৩ মার্চ তলপেটে ব্যথা নিয়ে ভর্তি হন মনিরা। সিস্ট অপারেশনের জন্য হাসপাতালের নারী সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি ছিলেন ৯ মার্চ পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে তার অপারেশন করা হয়। এ সার্জিক্যাল অপারেশনের পরেও মনিরার পেটের ব্যথা থেকে যায়। অপারেশনের কয়েকদিন পর মনিরার বিয়ে দেওয়া হয় ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার কল্যাণপট্টি গ্রামে। ব্যথানাশক ওষুধ ও পল্লী চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্রে চলছিল তার চিকিৎসা। 

এরপর মনিরা অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর বাচ্চা নষ্ট হলে তাকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেন স্বামী। এরপরেও বিভিন্ন গ্রাম্য চিকিৎসা করানো হয়। কিন্তু তার পেট ব্যথা কমেনি। গত দুইদিন আগে পেটে অসহনীয় ব্যথা উঠলে তাকে মুকসুদপুরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসার জন্য আনা হয়। ওই ক্লিনিকে এক্সরের মাধ্যমে চিকিৎসকরা দেখতে পান, মনিরার পেটের মধ্যে একটি কাঁচি আছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. রতন কুমার সাহা বলেন, এ বিষয়টি বেশ জটিল ছিল। কারণ কাঁচিটি প্রায় দুই বছর ধরে পেটের ভেতরে থাকায় অপারেশন করারও ঝুঁকি ছিল। এরপরও প্রায় ৩ ঘণ্টা চেষ্টার করে কাঁচিটি বের করতে সক্ষম হই।

 তিনি আরও বলেন, কাঁচিটি দীর্ঘদিন ধরে থাকার কারণে তার পেটের নাড়ির কিছু অংশে পচন ধরেছে। পচনগুলো কেটে ফেলতে হয়েছে। এমনও হতে পারে তার কৃত্রিম নাড়ি লাগানো লাগতে পারে। মনিরার এখনও জ্ঞান ফেরেনি। তাই জ্ঞান ফেরা ও সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত সঠিকভাবে বিস্তারিত কিছু বলা সম্ভব নয়।ভুক্তভোগী তরুণীর নাম মনিরা খাতুন । সে গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর থানার ঝুটিগ্রামের খাইরুল মিয়ার মেয়ে। এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত বছরের মার্চে পেটের নিয়ে তরুণী হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অপারেশন করান মনিরা। অপারেশনের কয়েক দিন পরেই মনিরাকে নগরকান্দা উপজেলার পৈলানপট্টি গ্রামে বিয়ে দেয়া হয়। বিয়ের পরও পেটে ব্যথা ছিল তার।

ads

ads