লা-লীগা যেন হয়ে উঠেছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ - লা লিগা ফুটবল ম্যাচ - Songbad Feri

ads

লা-লীগা যেন হয়ে উঠেছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ - লা লিগা ফুটবল ম্যাচ

লা-লীগা যেন হয়ে উঠেছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ - লা লিগা ফুটবল ম্যাচ

 লা-লীগা যেন হয়ে উঠেছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ

লা লিগা সম্পর্কে পূর্বে মানুষের যেরকম ধারণা ছিল এবার মনে হয় তা দূর হতে চলেছে। স্পেনের এই লীগে মোট 20 টি দল খেললেও মূলত শিরোপার দাবিদার ছিল রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনা। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ লড়াকু মানসিকতা নিয়ে খেললেও শেষ পর্যন্ত শিরোপা ঘরে তুলতে পারছিল না দীর্ঘ দিন ধরে। চ্যাম্পিয়ন হতো হয় বার্সেলোনা না হয় রিয়াল মাদ্রিদ। তাই বলা যায় স্পেনের রাজার দাবিদার ছিল শুধুমাত্র বার্সেলোনা এবং রিয়াল মাদ্রিদই। বাকি যারা আছে তাদের মধ্যে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে মন্ত্রীর দাবিদার বলা গেলেও রাজার দাবিদার কোন ভাবেই বলা যায় না। 



বিগত 20 বছরের পরিসংখ্যান দেখলেই তথ্যটি আরো পরিস্কার হয়ে যাবে। বিগত 20 বছরে বার্সেলোনা লিগ জিতেছে ১০ বার,রিয়াল জিতেছে ৭ বার আর এটিএম জিতেছে ১ বারএবং বাকি ১ বার জিতেছে ভ্যালেন্সিয়া। বাকি যে কয়টি দল আছে তাদের সবাইকে বলা যেতে পারে প্রজা। প্রজা যেমন রাজাকে খাজনা দেয় তেমনি রিয়াল মাদ্রিদ এবং বার্সেলোনাও ছোট দলগুলোর কাছ থেকে পয়েন্ট হাতিয়ে নেয়। রাজাদেরকে তো বছরে একবার খাজনা দিলেই হতো কিন্তু এই দুই দল বছরে দুইবার খাজনা নেয়। একবার হোম ম্যাচে আরেকবার এয়্যয়ে ম্যাচে। তাই স্বাভাবিকভাবেই পয়েন্ট টেবিলে রিয়াল-বার্সার সম্পদের পরিমাণ অন্যান্য দলগুলোর চেয়ে অনেক বেশি থাকে। কিন্তু এবারের ২০২০-২১ সিজনের লা লিগা যেন অন্যরকম এক মজা দিচ্ছে ফুটবল প্রেমীদেরকে। 




স্প্যানিশ লিগে ২০ টি দল খেললেও এটি ছিল মূলত দুই দলের লড়াই। মানে ২০ থেকে ০ বাদ দিলে যা থাকে তাই। তাই বলা যায় লা-লিগা হল দুর্বলদের উপর সবলদের ডমিনেশন। তারা আসলে এই দুই রাজার উপনিবেশ। কিন্তু কোন সাম্রাজ্য চিরকাল টিকে থাকে না। যেমন টিকে থাকেনি রোমান,গ্রিক,অটোমান, মোগল প্রভৃতি ইতিহাস বিখ্যাত সাম্রাজ্য। তেমনি টিকবেনা লা লিগায় রিয়াল-বার্সা সাম্রাজ্যও। নতুন যুগের শুরু হয়ে যেতে পারে এই সিজন থেকেই। রাজা যখন দুর্বল হয়ে পড়ে তখন যেমন মন্ত্রী ক্ষমতা বাগিয়ে নেওয়ার একটা সুযোগ পান। ঠিক তেমনই একটি সুযোগ অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদও পেয়ে গেছে। রিয়াল-বার্সার বর্তমান সময় খুব একটা ভালো যাচ্ছে না। রিয়াল রোনালদোকে বিক্রি করে দেওয়ার পর তার যোগ্য রিপ্লেসমেন্ট এখনও আনতে পারেনি। চেলসি থেকে হ্যাজার্ডকে রিয়াল মাদ্রিদ কিনেছিল ৯০ মিলিয়ন ইউরো দিয়ে। যেখানে তারা জুভেন্টাসের কাছে রোনালদোকে বিক্রি করেছিল মাত্র ১০০ মিলিয়ন ইউরোতে। ১০০ মিলিয়ন অনেক বেশি টাকা মনে হলেও খেলোয়ার যখন রোনালদো তখন ১০০ মিলিয়ন মাত্রই মনে হবে। যাইহোক হ্যাজার্ডকে চেলসি থেকে আনার পর সে দলের জন্য তেমন কিছু করতে পারেনি এখন পর্যন্ত।এখানে তাকে দোষ দিয়ে লাভ নেই কারণ রিয়ালে আসার পর থেকে হ্যাজার্ড ঘন ঘন ইনজুরিতে পড়ে যার কারণে তার ক্যারিয়ারই এখন হুমকির মুখে। সুতরাং সে রোনালদোর অভাব পূরণ করবে সে আশায় গুড়ে বালি। 



এদিকে হ্যাজার্ডের বাতাস যেন দলের অন্য সবার মধ্যে করোনার মতো ছড়িয়ে পড়েছে। কারণ এই সিজনে রিয়ালের ইনজুরি সমস্যা ইউরোপের টপ ফাইভ লীগের অন্য যেকোন দলের চেয়ে অনেক বেশি। মার্সেলো,রামোস,কার্ভাজাল, এসেন্সিও,ভারানে,রদ্রিগো,মেন্ডিসহ দলের প্রায় সকল সদস্যকে কোন না কোন সময় ইনজুরিতে আক্রান্ত হতে হয়েছে এই সিজনে। তাই রিয়াল বস  জিদানের জন্য সেরা স্কোয়াড বাছাই করাই কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। ডিফেন্ডার, মিডফিল্ডার,ফরোয়ার্ড সব পজিশনের প্লেয়ারই ইনজুরিতে আক্রান্ত। তাই জিদানকে মাঝে মাঝে কাস্তিয়া থেকে প্লেয়ার নিয়ে দল সাজাতে হয়। মেইন স্কোয়াড না পাওয়াতে ফলাফলস্বরূপ ছোট দলগুলোর সাথে ঘনঘন পয়েন্ট হারানো। ৩৪ রাউন্ড শেষে রিয়াল মাদ্রিদের ঝুলিতে ২২ জয়ের বিপরীতে আছে  ৪ টি  পরাজয় এবং ৮ টি ড্র।শেষ ৫ ম্যচের মধ্যেই রয়েছে ২ টি ড্র। যদিও তারা এই দল নিয়েও রাইভাল বার্সেলোনাকে সিজনের ২ টি ক্লাসিকোতেই হারিয়েছে। রিয়ালের এই সিজনের সেরা প্লেয়ার হচ্ছে ফ্রেন্স ফরোয়ার্ড করিম বেঞ্জেমা এবং তাদের বেলজিয়ান গোলকিপার কর্তোয়া।যদি এই দুই প্লেয়ারের নামও ইঞ্জুরি লিস্টে থাকতো তাহলে তাদের সেরা চারে থাকাই কঠিন হয়ে যেতো। ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার ক্যাসেমিরো ও জার্মান মিডফিল্ডার টনি ক্রুস এই দুই জন রিয়ালকে মাঝ মাঠ থেকে অনেক সাহায্য করেছে। ৩৪ ম্যাচ শেষে ৭৪ পয়েন্ট নিয়ে  রিয়ালের অবস্থান ২য়।অন্যদিকে স্পেনের আরেক রাজা বার্সেলোনা স্কোয়াড, কোচ,ম্যানেজমেন্ট সবকিছু মিলিয়ে একটি এলোমেলো সময় পার করছে সিজনের শুরু থেকেই। সাবেক কোচ সেতিয়েনকে স্যাক করার পর বার্সার দায়িত্ব দেওয়া হয় ডাচ্ কোচ রোনাল্ড কোমেনকে।তার কিছুদিন পর শুরু হয় বোর্ডের সাথে মেসির ঝামেলা। বিশেষ করে বোর্ড প্রেসিডেন্ট রবার্তো বার্তেমেউ এর সাথে। তখন গুঞ্জন উঠে মেসির ক্লাব ছাডার। পরে অবশ্য ক্লাব সমর্থকদের আন্দোলন ও গণভোটের মাধ্যমে পরাজিত হয়ে নিজের পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয় রবার্তো।যার ফলে মেসির ক্লাব ছাডার বিষয়টি এই সিজনের জন্য থেমে যায়। এতো ঝামেলার মধ্যে দলের মেইন ম্যান মেসির পক্ষেও  নিজের সেরাটা খেলা সম্বভ হচ্ছিল না।যার ফলে সিজনের শুরুর দিকে মেসির খেলা আশানুরূপ ছিলো না।পেনাল্টি ছাড়া যেন গোলই দিতে পারছিলো না। যা নিয়ে তখন সোস্যাল মিডিয়ায় মেসির হ্যাটার্সদের ট্রলের শিকারও হতে হয় মেসিকে। কিন্তু সব ঝামেলা মিটে যাওয়ার পর মেসিও ধীরে ধীরে নিজের সেরা ফর্মে  ফিরে আসে। ২৮ গোল নিয়ে লা-লীগার সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার  লড়াইয়ে সবার উপরে অবস্থান করছে মেসি।



 মেসির ফর্ম  ফিরলেও বার্সা কিন্তু ফর্মে ফিরতে পারেনি।কয়েক ম্যাচ ভালো খেলার পর আবার ছন্দপতন। এভাবেই কেটে যাচ্ছে বার্সার এবারের সিজন।বার্সার এই সমস্যার জন্য দায়ী মূলত তাদের ডিফেন্স। তাদের ডিফেন্স নিয়ে আর কি বলবো। পিকে তার ক্যারিয়ারের সেরা সময় পার করে ফেলেছে। ল্যাংলেট আর উমতিতির শিশুসুলভ ভুলের মাশুল বার্সাকে সিজনের শুরু থেকেই দিতে হচ্ছে। অপরদিকে গোলকিপার স্টেগানও কিছুটা খারাপ সময়ই পার করছে। যার ফলে বার্সার পোস্টে বিপক্ষ প্লেয়ারের শট মানেই গোল।যেনো দেখারও কেউ নেই, ফিরানোরও কেউ নেই। বার্সার এই অবস্থার আরেকটি কারন হলো দলে কোন নাম্বার নাইন না থাকা। উরুগুইয়ান সুপারস্টার লুইস সুয়ারেজকে এটিএমের কাছে ফ্রী এজেন্ট হিসেবে বিক্রি করে দেয় গত সিজনের শেষে। কিন্তু তার বদলি হিসেবে কোন প্লেয়ারই কিনতে পারেনি তারা।যার ফলে বল পজিশন বেশি থাকলেও ফিনিশারের অভাবে গোল আদায় করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। আনসু ফাতি সিজনের শুরুর দিকে ভালো করলেও ইঞ্জুরির জন্য তার আর মাঠেই নামা হয়নি। ডেম্বেলের  গোল স্কোরিং রেটও খুব একটা ভালো না।এই সিজনে ডেম্বেলে প্রচুর গোল মিস করেছে। না হলে বার্সা একটু হলেও ভালো অবস্থানে থাকতো।মেসি ভালো খেললেও তা দলের জন্য যথেষ্ট নয়। হয় মেসিকে আরও ভালো খেলতে হবে না হয় তার সতীর্থদের ফর্মে ফিরতে হবে। যদিও তার সতীর্থ গ্রীজম্যান বেশ ভালো ফর্মে  আছে। 



কিন্তু শুধু ফরোয়ার্ড দিয়ে তো আর ম্যাচ জেতা যায় না। ডিফেন্ডার দেরও ভালো খেলতে হবে। যার অভাব কিছুটা হলেও পূরণ করার চেষ্টা করে যাচ্ছে তরুণ ডিফেন্ডার মিগুয়েজা ও আরউহো। মিডফিল্ডার ডি জং ও পেদ্রী বেশ ভালোই খেলছেন। কিন্তু তারপরও বার্সার সময়টা আসলেই ভালো যাচ্ছে না। ভালো ডিফেন্ডার ও ভালো নাম্বার নাইন না আনলে ভালো সময়ের প্রত্যাশা করাটাও বোকামি। লীগে ৩৪ ম্যাচ খেলে ২৩ জয়ের বিপরীতে পরাজয় ৬ টি। যা টপ তিনে থাকা দলগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। পাশাপাশি ৬ টি ড্র রয়েছে ৷ যার ফলে ৩৪ ম্যাচে ৭৪ পয়েন্ট নিয়ে বার্সার অবস্থান ৩য় স্থানে।রিয়ালের সমান পয়েন্ট হলেও যেহেতু তারা রিয়ালের সাথে দুটি ক্লাসিকোতেই হেরেছে। তাই লা-লিগার নিয়ম অনুযায়ী হেড টু হেড পিছিয়ে থাকায় বার্সার অবস্থান রিয়ালের নিচে। অন্যদিকে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের অবস্থা রিয়াল-বার্সার চেয়ে ভালো। 



এবারের পয়েন্ট টেবিল দেখলেই তা বোঝা যায়। 34 ম্যাচ খেলে ২৩ জয়ের বিপরীতে তাদের রয়েছে ৪ টি পরাজয় এবং ৭ টি ড্র। তাদের পয়েন্ট ৩৪ ম্যাচে ৭৬।তাই তারাই এবারের টেবিল টপার।যদি তারা শেষ পর্যন্ত প্রথম স্থান ধরে রাখতে পারে তাহলে তারা প্রায় ছয় বছর পর লিগ চ্যাম্পিয়ন হতে যাচ্ছে। তারা সর্বশেষ স্পেনিশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ২০১৪ সালে। 



মাঝের ছয় বছর শুধুই রিয়াল-বার্সার। এই ছয়টি বছর তারা শুধু অংশগ্রহণ করেছে এবং রিয়াল-বার্সার রাজত্ব দেখেছে। কিন্তু এবার সময় হয়েছে তাদেরকে আবার দেখিয়ে দেওয়ার। এটিএম এর এই পরিবর্তনের মূল কারিগর তাদের আর্জেনটাইন কোচ সিমিওনে। তার তৈরি করা ডিফেন্স ভেদ করে গোল করা যেকোন প্লেয়ারের জন্যই কঠিন ব্যাপার। তার দলের ডিফেন্ডাররা যেন সুরক্ষা প্রাচীরের মতো আগলে রাখে তাদের গোলপোস্ট। আর গোলপোস্টের নিচে সদা প্রস্তুত থাকে গোলকিপার অবলাক। লা লিগায় তার চেয়ে ভালো গোলকিপার একটিও নেই। এই সিজনে সবচেয়ে কমগোল হজম করেছে এটিএম। অবলাক এই সিজনে ক্লিনসিট রেখেছে ১৭ টি ম্যাচে। যা লা লিগায় এই সিজনে সর্বোচ্চ। ডিফেন্স এবং গোলকিপিং নিয়ে এটিএমের কোন সমস্যা নেই। মিডফিল্ডেও আছে লরেন্তে, কারাস্কোর মতো প্লেয়ার। ফরওয়ার্ড হিসাবে লুইস সুয়ারেজ বেশ ভালই সার্ভিস দিচ্ছে তাদেরকে। এই সিজনে সুয়ারেজ করেছে ১৯ গোল যা এটিএম এর যে কোন প্লেয়ারের থেকে বেশি। এছাড়াও রয়েছে দিয়েগো কস্তার মত খ্যাপাটে প্লেয়ার। পর্তুগিজ ইয়ংস্টার জোয়াও ফেলিক্সও ধীরে ধীরে নিজেকে মেলে ধরেছেন। সবমিলিয়ে এটিএম এখন অনেক গোছালো একটি দল। এবারের লিগে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনাও তাদেরই সবচেয়ে বেশি।যদিও রিয়াল এবং বার্সা তাদেরও লিগ জেতার সুযোগ আছে। সামনের এটিএম বনাম বার্সা ম্যাচে যদি এটিএম জিতে যায় তাহলে এটিএমের চ্যাম্পিয়ন হওয়া প্রায় নিশ্চিত। কিন্তু তারা বার্সার কাছে হেরে গেলে বা ড্র করলে রিয়ালের জন্য তা হবে সোনায় সোহাগা। অন্যদিকে রিয়াল বনাম সেভিয়া ম্যাচে যদি রিয়াল হেরে যায় বা ড্র করে এবং বার্সা যদি এটিএম কে হারাতে পারে তবে বার্সাই শিরোপার লড়াইয়ে এগিয়ে যাবে। তাই স্পেনের রাজা কে হবে তা মূলত নির্ভর করছে এটিএম ভার্সেস বার্সা এবং রিয়াল ভার্সেস সেভিয়া এই দুই ম্যাচের উপর। তাই ফুটবলপ্রেমীদের খুব বেশি অপেক্ষা করতে হবে না কে হবে স্পেনের এবারের রাজা তা জানার জন্য।এখন দেখা যাক এটিএম তাদের এ সুযোগটি কাজে লাগাতে পারে কিনা। নাকি রিয়াল অথবা বার্সা আবারো তাদের জাত চিনিয়ে চ্যাম্পিয়নের মুকুট পড়বে। সিজনের শেষের দিকে এসে এরকম টানটান উত্তেজনা সত্যিই অন্যরকম এক আনন্দ দেয় ফুটবলপ্রেমীদের। ব্যাপারটি  যথেষ্ট উপভোগ্যই বটে।এরকম উত্তেজনা ফুটবলপ্রেমীরা ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের পয়েন্ট টেবিলে দেখে থাকলেও লা-লিগায়  সচরাচর এমনটি ঘটে না। তাই বলা যায় এবারের লালিগা অন্যান্য বারের চেয়ে একটু বেশিই উপভোগ্য এবং টানটান উত্তেজনার।  সিজনের শেষের চার ম্যাচে যে দল সবচেয়ে বেশি ভালো করবে সেই দলই হবে এবারের চ্যাম্পিয়ন। একবছরের ফল নির্ভর করছে চারটি ম্যাচের উপর। তাই দর্শকরাও দেখতে থাকুন আপনাদের পছন্দের দল সিজনের শেষে এসে তরী ডুবাবে নাকি আনন্দের জোয়ারে ভাসাবে। শুভকামনা রইল পয়েন্ট টেবিলের সকল দলের প্রতি।

Writer: MD. Nahid Hasan

Esitor: MD. Zihad Khan ZK

ads

ads